
সংস্থাটি বলছে, এই ধরনের ব্যয় কমানোর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে নিম্নআয়ের মানুষের ওপর। কারণ সরকারি অর্থ সংকোচনের ফলে

গণপূর্ত অধিদপ্তরের আজিমপুর বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ পাওয়া গেছে। কোথাও সামান্য কাজ করা হয়েছে। আবার কোথাও কোনো ধরনের কাজ না করেই বিল করা হয়েছে।

শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের হিসাব নিরীক্ষা করতে গিয়ে প্রায় ১৬০ কোটি টাকার অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়েছে। বরাদ্দের চেয়ে বেশি ব্যয়, ক্রয় পরিকল্পনা ছাড়াই খরচ, নির্ধারিত সীমার বাইরে অগ্রিম উত্তোলনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে।

সূত্র বলছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের ব্যক্তিগত প্লটে সরকারি অর্থ ব্যয় করা প্রকৌশলীদের তথ্য সংগ্রহে নেমেছে দায়িত্বশীল সংস্থা।